বসন্ত রোগ কৃষি তথ্য ও সার্ভিস-SUNDARBAN FARM -
মোরগ মুরগির বসন্ত ও প্রতিকার

মোরগ মুরগির বসন্ত ও প্রতিকার

ফাউল পক্স (প্রতিরোধ ও চিকিৎসা)
ফাউল পক্স একটি উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ যা পক্স ভাইরাসের সংক্রমনে হয়ে থাকে।সাধারণত টার্কির শরীরের পালক বিহীন জায়গায় সাধারণত শক্ত গোটা উঠে এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
পক্স সচরাচর দুই রকমের হয়:-
১। শুকনা পক্স
২। ভিজা পক্স।
সংক্রমনের কারণ এবং স্থানান্থরঃ
• শুষ্ক পক্স একটি ভাইরাস জনিত রোগ যা টার্কির পালকবিহীন অংশে হয়,সাধারণত ঝুটি এং চোখের পাতায় এটি হয়।
• ভেজা পক্স টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে হয়, এটি প্রাণঘাতী।
• মুরগীতে পক্সের সংক্রমণ সাধারণত পোকার কামড়ের মাধ্যমে হয় (যেমন:- মশা)।
• আক্রান্ত টার্কির পালক, পালকের অংশবিশেষ, চামড়ার অংশ, লালা এবং রক্তের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।
• পক্স উচ্চ মাত্রার সংক্রামক রোগ এবং আস্তে আস্তে ফ্লকের মধ্যে ছড়াতে থাকে। এটি সুপ্তাবস্থায় ফ্লকের মধ্যে সপ্তাহ, মাস এমনকি এক বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।
• সংবেদনশীল মুরগী সাধারনত নাক এবং মুখ দিয়ে অক্রান্ত হয়।
লক্ষনঃ
• শুষ্ক পক্সে প্রাথমিক অবস্থায় ঝুটি এং চোখের পাতায় ছাই রংয়ের হালকা উচু ফোস্কার মত গুটি উঠে । এই ফোস্কাগুলো আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে, বড় হয়ে হলুদ রং ধারণ করে এবং চুড়ান্ত অবস্থায় কালো আচিলের মত হয়ে যায়।
• ভেজা পক্সে টার্কির শ্বাসতন্ত্র, চোখ, মুখ এবং মুখ:গহ্বরে লক্ষণ পাওয়া যায়।
• মুরগী দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে মারা যায়।
• লেয়ার টার্কির প্রোডাকশন কমে যায়।
• টার্কির ওজন কমে যায়।
• মুরগী খাদ্য এবং পানি খাওয়া কমিয়ে দেয়।
প্রতিরোধঃ
১. আক্রান্ত ফ্লক থেকে যেন পক্স না ছড়ায় তার জন্য সঠিকভাবে জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
২. নতুন ফ্লককে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করতে হবে।
৩. মশক নিধন করতে হবে।
৪. দশনার্থী প্রবেশ সীমাবদ্ধ করতে হবে।
৫. নিয়মিত রেজিস্ট্যার্ড ভেটেরিনারিয়ান এর পরামর্শ মোতাবেক ভ্যাকসিনেশন করতে হবে।
চিকিৎসাঃ
ভাইরাস জনিত রোগ হওয়ায় এর কোন সঠিক চিকিৎসা নেই, তবে পরবর্তী ব্যাকটেরয়িার সংক্রমণ রোধে এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো যেতে পারে।
খাদ্যের সাথে কালোজিরা খাওয়ানো যেতে পারে।
ব্যাচের মধ্যে পক্স দেখা গেলে আক্রান্ত মুরগী সরিয়ে সুস্থগুলোকে ভ্যাকসিনেশন করাতে হবে।
ফাউল পক্স ভ্যাকসিন (F P V)
এই ভ্যাকসিন টার্কির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এটি ২০০ মাত্রায় কঠিন অবস্থায় বায়ুশুন্য বোতলে সংরক্ষিত থাকে। এটার রং গোলাপি, ১০ মি: লি: বিশুদ্ধ পানিতে পুরাটা মিশিয়ে এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে হয়। তৈরির পরে কবুতর ও মুরগী যাদের বয়স ২৮-৩২ দিন সেগুলো কে পাখনার নিচে, যেখানে কোন পালক নেই, সেখানে ৪-৫ টি খোটা দিয়ে এই ভ্যাকসিন লাগিয়ে দিতে হবে, খোচা দেওয়া জায়গা যদি ৪-৫ দিনের মধ্যে ফুলে উঠে তাহলে বুঝতে হবে ভ্যাকসিন টি কাজ করছে,আর যদি ফুলে না ওঠে বুঝতে হবে কাজ করেনি। পুনরায় আবার আগের নিয়মে ভ্যাকসিন দিতে হবে। এই ভ্যাকসিন প্রতি বছর ১ বার দিতে হবে।
ফাউল কলেরাঃ
ফাউল কলেরা মুরগির একটি ছোয়াচে রোগ । এটি এ্কটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ ।এই রোগে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০-৭৫% পযন্ত হতে পারে। এতে খামার বেশ আথিক ক্ষতি সম্মুখীন হয়।
ফাউল কলেরা কেন হয়?
ফাউল কলেরা Pasteurella matocida নামক ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে ।
ফাউল কলেরা সম্পকে কিছু তথ্যঃ
১। ২-৪ মাস বয়সের মুরগিতে এই রোগ দেখা যায়।
২। অতিরিক্ত গরম পড়লে মুরগি এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
৩। এছাড়া পরিবেশে বেশি পরিমান আদ্রতা থাকলে ও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ।
ফাউল কলেরা রোগের লক্ষণঃ
১। জ্বর থাকবে।
২। খাদ্য গ্রহনে অনিহা থাকবে।
৩। শ্বাস নিতে কষ্ট হবে।
৪। ডিম উৎপাদন কমে যাবে।
৫। মাথার ঝুটি ও গলার ফুল ফুলে যাবে।
৬। মুরগী দুবল হয়ে যাবে।
৭। সভুজাভ,বা হলুদাভ ডায়রিয়া হতে পারে,
৮। মুখ দিয়ে লালা পড়বে
৯। মাথা নিচের দিকে দিয়ে ঝিমাবে।
চিকিৎসাঃ
১। যেহেতু ব্যাক্টেরিয়াজনিত রোগ তাই যে কোন একটি ভালো এন্টিবায়োটিক দিতে হবে, সে হিসাবে , ciprofloxacin, gentamycin, doxacycline ৩-৫ দিন দেয়া যেতে পারে।
২। এছাড়া যেহেতু পায়খানার সমস্যা আছে তাই একটি সালফার গ্রুপের ঔষধ দিতে হবে।এ ক্ষেত্রে Ati vet suspension/ Sulphatrim powder/S-trim vet ৩-৫ দিন এন্টিবায়োটিক এর সাথে দিতে হবে,
৩। গরম বেশি পড়লে ভিটামিন সি / লেবুর রস দেয়া যেতে পারে।
ফাউল কলেরা কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?
১। ফাউল কলেরা ভ্যাক্সিন দিতে হবে।
২। খামারে জৈব নিরাপত্তা ভালোভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
৩। খামারে ইদুরের উপদ্রুপ সম্পুনরুপে বন্ধ করতে হবে।
৪। সব সময় একজন ভাল রেজিস্টাড ভেটরিনারিয়ানের পরামশ নিতে হবে।
সালমোনেলোসিস
সালমোনেলোসিস পোল্ট্রির ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি প্রাণঘাতী রোগ।এটি পুলোরাম এবং ফাউল টাইফয়েড নামে পরিচিত।পুলোরাম রোগ বাচ্চা মুরগিতে এবং ফাউল টাইফয়েড পরিণত বয়সে দেখা দেয়।সালমোনেলোসিস পৃথিবীব্যাপী একটি সমস্যা এবং এটি পোল্ট্রিতে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে।
রোগের কারণঃ
নিম্নোক্ত জীবাণু দ্বারা এই রোগ সংঘটিত হয়
▪ সালমোনেলা পুলোরাম:পুলোরাম রোগ তৈরি করে
▪ সালমোনেলা গ্যালিনেরাম:ফাউল টাইফয়েড রোগ তৈরি করে
কিভাবে ছড়ায়ঃ
এই রোগ বিভিন্নভাবে ছড়াতে পারে।আক্রান্ত মুরগির ডিমের মাধ্যমে বাচ্চাতে স্থানান্তর হয়।আক্রান্ত বাচ্চা থেকে সুস্থ বাচ্চাতে রোগ সংক্রমিত হয়।আক্রান্ত মোরগ-টার্কির খাদ্য(ফিস মিল,মিট এবং বোন মিল),পানি এবং খামারে আগত পরিদর্শকের মাধ্যমেও ছড়ায়।এছাড়াও বিভিন্ন প্রাণী যেমন-ঈদুর, টিকটিকি, রোডেন্ট এর মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
পুলোরাম রোগ
রোগের লক্ষণঃ
▪ ডিমের মাধ্যমে এ রোগ সংক্রমিত হলে অনেক বাচ্চা ডিমের মধ্যেই মারা যায়।
▪ বাচ্চা ফোটার কয়েক দিনের মধ্যেই অধিক বাচ্চার মৃত্যু হয়।
▪ বাচ্চা কিছু খেতে চায় না,তবে ঘন ঘন পানি খায়।
▪ বাচ্চা সাদা পাতলা পায়খানা করে এবং মলদ্বারে তা লেগে থাকে।
▪ আক্রান্ত বাচ্চা দুর্বল হয়,শ্বাসকষ্ট হয় এবং হা করে নিশ্বাস নেয়।
▪ ব্রুডারের নিচে বাচ্চা গাদাগাদি হয়ে থাকে।
পোস্ট মর্টেমঃ
▪ লিভার নরম,ভংগুর এবং হাত দিলে সহজেই ভেঙে যায়।
▪ লিভার বাদামী(তামাটে) এবং প্লীহা রক্তক্ষরণ হয়ে কালো বর্ণ হয়।
▪ অভারিয়ান ফলিকল শক্ত হয়ে ঝুলে পড়ে।
জটিলতাঃ
পুলোরাম রোগে বাচ্চা মুরগি কোন প্রকার লক্ষণ ছাড়াই হঠাৎ মারা যায়।তিন সপ্তাহের নিচে মুরগিতে এই রোগের তীব্র পাদূর্ভাব দেখা দেয়।এ রকম পাদূর্ভাবে মৃত্যুহার শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত হতে পারে।সালমোনেলোসিস এ আক্রান্ত ফ্লকে ডিম উৎপাদন অনেক কমে যায়।ফলে অর্থনৈতিকভাবে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
প্রতিরোধঃ
▪ রোগমুক্ত হ্যাচারী থেকে স্বাস্থ্যবান বাচ্চা নিয়ে আসা
▪ খাবার ও পানির পাত্র নিয়মিত পরিক্ষা করা
▪ খামারের জায়গার তুলনায় অধিক মুরগি পালন না করা
▪ জৈব নিরাপত্তা কঠোর ভাবে মেনে চলা
▪ বন্য পাখি ও ঈদুর খামারে ঢুকতে না দেওয়া
▪ খামারে প্রবেশের সময় ফুট বাথ ব্যবহার করা
চিকিৎসাঃ
খামারে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই উত্তম।কারন একবার রোগ দেখা দিলে উৎপাদন হ্রাস,অন্য মোরগ-মুরগীতে সংক্রামন,অন্যান্য রোগের সংক্রমণ ও চিকিৎসা জনিত অনেক বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।সালমোনেলোসিস দেখা দিলে নিম্নলিখিত নিয়মে চিকিৎসা প্রদান করা যায়।
সিপ্রোফ্লক্সাসিন : ১ মি.লি / লিটার পানিতে ৩-৫ দিন
কলিস্টিন সালফেট : ১ গ্রাম /লিটার পানিতে ৩-৫ দিন
অথবা,
কলিস্টিন সালফেট : ১ গ্রাম / লিটার পানিতে ৩-৫ দিন
এমোক্সসিলিন :১ গ্রাম /২ লিটার পানিতে ৩-৫ দিন
গামবোরোঃ
গামবোরো টার্কির একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ইমিউনো সাপ্রেসিব(রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী) রোগ।এ রোগটিকে টার্কির এইডসও বলা হয়।
কারণঃ
ইনফেকশাস বারসাল ডিজিজ ভাইরাস নামক এক ধরনের RNA ভাইরাস দ্বারা গামবোরো রোগ হয়।
লক্ষণীয়ঃ
সাধারণত ৩-৬ সপ্তাহের মুরগিতে এই রোগ দেখা যায়।তবে হোয়াইট লেগহর্ন জাতের মুরগিতে ১৮ সপ্তাহ পর্যন্ত রোগটি লক্ষ্য করা যায়।
অর্থনৈতিক ক্ষতিঃ
▪ সরাসরি রোগের কারণে মৃত্যুহার ৪০%পর্যন্ত হতে পারে
▪ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসের ফলে অন্য যে কোন রোগে সহজেই সংক্রামিত হতে পারে।
কিভাবে ছড়ায়ঃ
গামবোরো রোগের ভাইরাস মুরগির ঘরে অনেক দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে এবং এক সাইকেল থেকে পরের সাইকেলের মুরগিতে সহজেই সংক্রামিত হতে পারে।এই ভাইরাসটি আক্রান্ত মুরগির বিষ্ঠা,সংক্রামিত যন্ত্রপাতি,খাদ্য,পানি ও বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
লক্ষণঃ
▪ অতিরিক্ত জ্বর
▪ সকল মুরগি একসাথে জমা হয়ে থাকে অথবা ব্রুডারের নিচে অবস্থান করে
▪ সাদাটে চুনের মত ডায়রিয়া হতে পারে
▪ ঝিমায় এবং অসংলগ্ন ভাবে চলাফেরা করে
▪ মলদ্বারে ঠুকরাঠুকরি করতে পারে
অন্যান্য রোগের সংক্রমণঃ
গামবোরো রোগ হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে ভেঙে পড়ে এবং নিম্নোক্ত রোগে মুরগি খুব সহজেই আক্রান্ত হতে পারে
▪রক্ত আমাশয়(কক্সিডিওসিস)
▪ সালমোনেলোসিস
▪ ই.কলাই ইনফেকশন
▪ মাইকোপ্লাজমোসিস
▪ রাণীক্ষেত রোগ ও অন্যান্য যে কোন ইনফেকশন
প্রতিরোধঃ
▪ আক্রান্ত লিটার এবং মৃত মুরগি সঠিক ভাবে ধংস করা
▪ নিয়মিত ডিসইনফেকটেন্ট ব্যবহার করা এবং নতুন মুরগি তোলার আগে মুরগির ঘর ভাল করে জীবাণুমুক্ত করা
▪ নতুন মুরগি তোলার পূর্বে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ বিরতি দেওয়া
▪ ব্রীডারে সঠিক ভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা
▪ মেটারনাল ডেরাইভড এন্টিবডি অনুযায়ী সঠিকভাবে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা
চিকিৎসাঃ
গামবোরো একটি ভাইরাসজনিত রোগ যার নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নাই।তবে যেহেতু গামবোরো রোগের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অন্যান্য রোগের সংক্রমণ খুব সহজেই হয়,তাই নিম্ন লিখিত ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।
▪ সিপ্রোফ্লক্সাসিন- ১ মি.লি./ ১ লিটার খাবার পানিতে(সব ধরনের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রামণ প্রতিরোধে)
▪ এমোক্সসিলিন- ১ গ্রাম / ২ লিটার খাবার পানিতে( অস্ত্রের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রামণ প্রতিরোধে)
▪ ভিটামিন সি – ১ গ্রাম / ৩ লিটার খাবার পানিতে( স্ট্রেস/ধকল প্রতিরোধ)
▪ চিনি ১০-১৫ গ্রাম / ১ লিটার খাবার পানিতে(সরাসরি শক্তি সরবরাহে)
সঠিক সময়ে সঠিক ব্যাবস্থাপনা না নিলে মৃত্যুহার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে
সাবধানতা – গামবোরো রোগের ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উৎপাদনকারী অঙ্গসমুহ দূর্বল হয়ে পড়ে তাই এই সময় কোন ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা উচিত নয় । ** রোগের প্রকোপ অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি পরিবর্তন যোগ্য। ওপরের চিকিৎসা পদ্ধতি কেবল মাত্র ধারণা দেবার জন্য।

    SUNDARBANFARM

    %d bloggers like this: