ছোলার গোড়া পচা রোগ Foot Rot Disease of Gram (Sclerotium rolfsii & Fusarium oxysporum) ছত্রাকজনিত রোগ। - আধুনিক কৃষি মেশিনারি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
রোগের নামঃ ছোলার গোড়া পচা রোগ Foot Rot Disease of Gram (Sclerotium rolfsii & Fusarium oxysporum) ছত্রাকজনিত রোগ। লক্ষণঃ চারা অবস্থায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী দেখা যায়। রোগে আক্রান্ত গাছ প্রথমে হলদেটে হয়ে যায়। অতঃপর আস্তে আস্তে নেতিয়ে পড়ে এবং শুকিয়ে মারা যায়। চারা গাছের শিকড় এ কা-ের সংযোগ স্থলে এই রোগের আক্রমণ হলে আক্রান্ত স্থানে কালো দাগের সৃষ্টি হয়। আস্তে আস্তে দাগ বৃদ্ধি পেয়ে আক্রান্ত অংশে পচন ধরে এবং গাছ মরে যায়। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় আক্রান্ত স্থানে সাদা রঙের তুলার মত ছত্রাকের মাইলেসিয়াম এবং সরিষার দানার মতো স্কেলেরোশিয়া দেখা যায়। সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে ফেলা। অতিরিক্ত সেচ পরিহার করা। পরিমাণ মতো ইউরিয়া সার ব্যবহার করা। বীজ বপনের পূর্বে প্রোভেক্স ২০০ ডব্লিউপি অথবা নীমপাতার রস, শুকনো বীজের সাথে (১:২) হারে মিশিয়ে বীজ শোধন করা। অর্ধপচা মুরগির বিষ্ঠা ৫ টন/ হেক্টর হারে বীজবপনের কমপক্ষে ২১ দিন আগে মাটিতে প্রয়োগ করা এবং মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে সেচ প্রদানের মাধ্যমে পচাতে সাহায্য করা। অতঃপর অটোস্টিন (কার্বেন্ডাজিম) বা প্রোভেক্স (কার্বোক্সিন+থিরাম) দ্বারা ০.২৫% হারে বীজ শোধন করে বপন করা। বীজ বপনের ২৫-৩০ দিন পর ১ম বার এবং ৪০-৪৫ দিন পর ২য় বার অটোস্টিন (০.২৫%) বা প্রোভেক্স (০.২৫%) হারে পানিতে মিশিয়ে গাছের গোড়ার মাটি ভালভাবে ভিজিয়ে দেয়া।

ছোলার গোড়া পচা রোগ Foot Rot Disease of Gram (Sclerotium rolfsii & Fusarium oxysporum) ছত্রাকজনিত রোগ।

রোগের নামঃ

ছোলার গোড়া পচা রোগ Foot Rot Disease of Gram (Sclerotium rolfsii & Fusarium oxysporum) ছত্রাকজনিত রোগ।

লক্ষণঃ

  • চারা অবস্থায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী দেখা যায়।
  • রোগে আক্রান্ত গাছ প্রথমে হলদেটে হয়ে যায়।
  • অতঃপর আস্তে আস্তে নেতিয়ে পড়ে এবং শুকিয়ে মারা যায়।
  • চারা গাছের শিকড় এ কা-ের সংযোগ স্থলে এই রোগের আক্রমণ হলে আক্রান্ত স্থানে কালো দাগের সৃষ্টি হয়। আস্তে আস্তে দাগ বৃদ্ধি পেয়ে আক্রান্ত অংশে পচন ধরে এবং গাছ মরে যায়।
  • স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় আক্রান্ত স্থানে সাদা রঙের তুলার মত ছত্রাকের মাইলেসিয়াম এবং সরিষার দানার মতো স্কেলেরোশিয়া দেখা যায়।

সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ

  • আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়ে ফেলা।
  • অতিরিক্ত সেচ পরিহার করা।
  • পরিমাণ মতো ইউরিয়া সার ব্যবহার করা।
  • বীজ বপনের পূর্বে প্রোভেক্স ২০০ ডব্লিউপি অথবা নীমপাতার রস, শুকনো বীজের সাথে (১:২) হারে মিশিয়ে বীজ শোধন করা।
  • অর্ধপচা মুরগির বিষ্ঠা ৫ টন/ হেক্টর হারে বীজবপনের কমপক্ষে ২১ দিন আগে মাটিতে প্রয়োগ করা এবং মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে সেচ প্রদানের মাধ্যমে পচাতে সাহায্য করা।
  • অতঃপর অটোস্টিন (কার্বেন্ডাজিম) বা প্রোভেক্স (কার্বোক্সিন+থিরাম) দ্বারা ০.২৫% হারে বীজ শোধন করে বপন করা।
  • বীজ বপনের ২৫-৩০ দিন পর ১ম বার এবং ৪০-৪৫ দিন পর ২য় বার অটোস্টিন (০.২৫%) বা প্রোভেক্স (০.২৫%) হারে পানিতে মিশিয়ে গাছের গোড়ার মাটি ভালভাবে ভিজিয়ে দেয়া।

SUNDARBANFARM

%d bloggers like this: