চাল কুমড়া বীজ সকল কোম্পানি

আপনার পছন্দের পণ্য টি সিলেক্ট করুন নিশ্চিন্তে অর্ডার করুন।

This product is currently out of stock and unavailable.

Description

নাম : চালকুমড়া
ব্র্যান্ড : আল আমিন বীজ
ওজন : ১০ গ্রাম 
জাত : ও পি
বীজ বপনের সময় : চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত বীজ বোনার উপযুক্ত সময়। 
সর্ব নিন্ম অডার :

                                              বিবরন

মাটিঃ  বন্যামুক্ত এবং নিস্কাশনের ব্যবস্থা আছে এমন দো-আঁশ ও এটেল দো-আঁশ মাটিতে এর চাষ ভাল হয়।
বীজ বপনের সময়ঃ  সারা বছর কুমড়ার চাষ করা যায়। তবে চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত বীজ বোনার উপযুক্ত সময়।

জমি / মাদা তৈরি
ঘরের চালে তুলে দিলে মাদা তৈরি করে নিতে হয়। আর জমিতে চাষ করলে কয়েকটি চাষ ও মই দিয়ে পরে মাদা তৈরি করতে হয়।
গর্ত তৈরিঃ ৭৫ সেঃ মিঃ (২.৫ ফুট) চওড়া ও ৬০ সেঃ মিঃ (২ ফুট) গভীর গর্ত তৈরি করতে হবে।
রোপণের দূরত্বঃ  ২-২.৫০ মিটার দূরে দূরে মাদা তৈরি করে বীজ বুনতে হবে।

বীজ বপনঃ  প্রতি মাদায় ৪-৫টি বীজ বুনতে হয়। প্রতি মাদায় দুটি সবল চারা রাখতে হবে ।
পরিচর্যাঃ  প্রথমদিকে খরার সময় মাঝে মধ্যে সেচ দিলে ভাল হয়। বর্ষার পানি নিকাশের জন্য নালার ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ বাওয়ার জন্য বাউনি মাচা দিতে হবে। মাঝে মাঝে কুপিয়ে মাটি আলগা করে গোড়ায় কিছু আলগা মাটি দিতে হয়। এতে আগাছাও দমন হয়।

কৃত্রিম পরাগায়নে ফলন বৃদ্ধিঃ  চাল কুমড়া উভয় ইমনোসিয়াস প্রকৃতির সবজি অর্থাৎ দুটি সবজিই একই গাছে পৃথকভাবে পুরুষ ও স্ত্রী ফুল জন্মায়। তাই উভয়ই পর-পরাগায়িত ফসল। এদের ফুল ধরার সময় হলে প্রথমে গাছে প্রচুর পরিমাণে পুরুষ ফুল আসে। পাশাপাশি স্ত্রী ফুলও জন্মায়।

কুমড়া গাছে ফল ধরার জন্য পুরুষ ও স্ত্রী ফুলের মধ্যে পরাগায়ন অত্যাবশ্যক। পুরুষ ফুলের পরাগধানীতে পরাগরেণু থাকে। পরাগায়নের জন্য পরাগরেণু স্ত্রী ফুলের গর্ভমুলে স্থানান্তরিত হতে হবে এবং ফল ধারণ করবে।

যদি সঠিকভাবে পরাগায়ন হয়ে থাকে তাহলে ফুলটি একটা নির্দিষ্ট সময় পরে ঝরে যাবে এবং  কুমড়াটি বাড়তে থাকবে। পরাগায়ন না হলে কচি ফলটি শুকিয়ে যায়, পচে যায় এবং ঝরে পড়ে। পরাগায়ন অসম্পূর্ণ থাকলে ফলের গঠন ভালো হয় না এতে সবজির বাজারমূল্য কমে যায়, ফল ধারণক্ষমতা কমে যায় ও ফলন কম হয়। ফলের সঠিক গঠনের জন্য স্ত্রী ফুলের গর্ভমুলে  যথেষ্ট পরিমাণে পরাগরেণু পরতে হবে। পরাগায়নের জন্য একটি মাধ্যম বা পলিনেটর দরকার হয়।

চাল কুমড়ার পরাগায়ন প্রধানত কীটপতঙ্গ বিশেষ করে মৌমাছির দ্বারা সমপন্ন হয়। তবে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত কীটপতঙ্গের অভাবে পরাগায়ন সঠিকভাবে না হওয়ার কারণে ফলন কমে যায়। প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে বেশি ফল ধরার জন্য প্রতি একর জমিতে একটি করে মৌচাক বসিয়েও পরাগায়নের কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব। আথবা চাষি নিজে পরাগায়ন করে দিলে আশাতীত ফলন আশা করতে পারে ।

বাংলাদেশের বেশির ভাগ চাষি প্রান্তিক ও ছোট পর্যায়ের সে জন্য কৃত্রিম পরাগায়নই তাদের একমাত্র সমাধান। গবেষণায় দেখা গেছে, হাত দিয়ে কৃত্রিম পরাগায়ন করে লাউ ও মিষ্টিকুমড়ার ফলন শতকরা ২৫-৩৫ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব। লাউয়ের ফুল ঠিকমতো রোদ পেলে দুপুরের পর থেকে ফোটা শুরু হয়ে রাত ৭-৮টা পর্যন্ত ফোটে। লাউয়ের কৃত্রিম পরাগায়ন ফুল ফোটার দিন বিকাল থেকে শুরু করে পর দিন সকাল পর্যন্ত করা যায়। তবে পর দিন সকালে পরাগায়ন করলে ফল কম ধরে কিন্তু ফুল ফোটার দিন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যে কয়টা ফুলে পরাগায়ন করা হয় তার সব কটিতেই ফল ধরবে। মিষ্টিকুমড়ার ফুল খুব সকালে ফোটে এবং ফুল ফোটার পর যত তাড়াতাড়ি পরাগায়ন করা যায় ততই ভালো ফল পাওয়া যাবে। মিষ্টিকুমড়ায় কৃত্রিম পরাগায়ন সকাল ৯টার মধ্যে সমপন্ন করতে হবে।

সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ  ইউরিয়া ১০-১২ কেজি,  টিএসপি ৮-১০ কেজি,  মিউরেট অব পটাশ ৩-৫ কেজি,  জিপসাম ৩ কেজি,  জিংক অক্সাইড ১০০-১৫০ গ্রাম
জৈব সার যত দেওয়া যায় তত ভাল। (শতাংশ অনুযায়ী)
সার ব্যবহারের নিয়মঃ  ইউরিয়া সার ছাড়া অন্যান্য সব সার বীজ বোনার ৭-৮ দিন আগে মাদার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

কুমড়া চাষের প্রধান শত্রু “মাছি” পোকা। আবাদকৃত কুমড়ার ফুলে ও ফলে এই পোকা বসলে কুমড়া লাল হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কুমড়া ঝড়ে পড়ে। এই পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য  সেক্স ফেরোমন পদ্ধতি ব্যবহার করে পোকা নিধন করা, পোকা দেখা মাত্র মেরে ফেলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ করা,  পোকা মারার ফাঁদ তৈরি করা এবং  বিষটোপ ব্যবহার করা।

ফসল সংগ্রহঃ  চাল কুমড়া গাছ লাগানোর ৬০-৭০ দিনের মধ্যে ফল দেওয়া শুরু করে। চাল কুমড়া সবজি হিসেবে খেতে হলে সবুজ হুল যুক্ত ৪০০-৬০০ গ্রাম হলে তুলতে হবে। মোরব্বা বা বড়ি দেওয়ার জন্য পরিপক্ক করে ১২০-১৩০ দিন পর তুলতে হবে।

Reviews

There are no reviews yet.

Only logged in customers who have purchased this product may leave a review.

X

Add to cart

%d bloggers like this: